সোমবার, ১১ জুন, ২০১২

যৌন হয়রানির শিকার চিত্রাঙ্গদা!


যৌন হয়রানির স্বীকার হয়েছেন তিনি। এরকম পর পর বেশ কয়েকটি ঘটনার শিকার হয়ে তিনি আইনের দ্বারস্থ  হয়েছেন।কিন্তু আইন তাকে সাহায্য করছে না। অপরাধীদের হাত বেশ লম্বা হওয়ায় বিষয়টির কূলকিনারাই করতে পারছেন না চিত্রাঙ্গদা। এমনই যৌন হয়রানির শিকার এক তরুণীর চরিত্রে সমপ্রতি অভিনয় করলেন চিত্রাঙ্গদা। সুধীর মিশরা পরিচালিত এই ছবিতে চিত্রাঙ্গদাকে ভিন্নধর্মী একটি ভূমিকায় দর্শকরা দেখতে পাবেন। ছবিতে অর্জুন রামপালের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি। ইতিমধ্যে ‘সরি ভাই’, ‘ইয়ে সালি জিন্দেগি’ এবং ‘দেশী বয়েজ’ ছবিতে অভিনয় করেছেন চিত্রাঙ্গদা। কিন্তু এর মধ্যে কোনটিতেই অভিনেত্রী হিসেবে তেমন একটা সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। তবে ‘দেশী বয়েজ’ ছবির গানগুলোতে অসাধারণ পারফরমেন্সের কারণে পরিচালকদের নজরে চলে আসেন তিনি। বর্তমানে সুধীর মিশরা পরিচালিত নতুন ছবিটি ছাড়াও ‘আই মি অউর ম্যায়’ নামক একটি ছবিতে জন আব্রাহামের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি। তবে পর পর তিনটি ছবিতে ভাল সাফল্য অর্জন করতে না পারায় অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে মেলে ধরতে উঠে পড়ে লেগেছেন চিত্রাঙ্গদা। আর সে ক্ষেত্রে সুধীর মিশরা পরিচালিত ছবিকেই নিজের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে মানছেন তিনি। এ ছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে চিত্রাঙ্গদা বলেন, সুধীর মিশরা পরিচালিত এ ছবিটি সত্যিই আমার জন্য চ্যালেঞ্জের। এরকম চরিত্রে আসলে সবাই সুযোগ পায় না। সে ক্ষেত্রে আমি বেশ ভাগ্যবান। ছবিতে আমি যৌন হয়রানির শিকার এক তরুণীর ভূমিকায় অভিনয় করছি। সচরাচর আমাদের সমাজে এরকম অনেক তরুণীই যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। কিন্তু তারা আইনের সহায়তাও পাচ্ছে না। সেই রকম বাস্তব কাহিনী নিয়েই ছবিটি নির্মিত হয়েছে। আমি মনে করি ছবিটি আমার ক্যারিয়ারে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে

ডিমের বাজারে আগুন


গত সপ্তাহে ব্যবসায়ীরা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ডিমের দাম বাড়তে পারে। যে কোন মুহূর্তে আকাশ ছুঁতে পারে। আকাশ ঠিকই ছুঁয়েছে। তবে এর জন্য এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগেনি। সাড়ে ৮শ’ টাকার প্রতি ১শ’ ডিম এখন খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায়। একমাস আগে ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকার মধ্যে ছিল প্রতি শ’। এক মাসের ব্যবধানে ডিম প্রতি ১শ’তে বেড়েছে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকার মতো। আর এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই হার দেড়শ’ টাকার মতো। বাজারে প্রতি হালিতে ৪ থেকে ৫ টাকা বেড়ে ঠেকেছে ৪০ টাকায়। হঠাৎ করে এত বেশি দাম বেড়ে যাওয়ায় বাজারে প্রভাব পড়েছে। বিক্রি কমে গেছে অস্বাভাবিক হারে। পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজার; সর্বত্র কেনাবেচা কম। দাম শুনে ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতারা। বাজারজুড়ে বিরাজ করছে অস্থিরতা। তেজগাঁও ডিমের আড়তের ইসলামপুর পোল্ট্রি ফার্মের মিজানুর রহমান বলেন, গত দুদিনে বিক্রি করেছি ৩০০ ডিম। অথচ এই সময় অন্তত ৫,০০০ বিক্রির কথা। দাম বাড়ায় বিক্রি কমে গেছে। একই অভিমত খুচরা বাজারের ব্যবসায়ীদের। তারা জানান, গেল সপ্তাহে হালি ছিল ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা। আর এখন পাইকারি বাজারেও ওই দামে মিলছে না। বাজারে দাম বাড়ার কারণ সম্পর্কে আড়তের বাবুল ট্রেডার্সের বাবুল সরকার বলেন, চাহিদা আছে কিন্তু যোগান কম। তাই দাম বেশি। পোল্ট্রি ফার্ম বা খামার থেকে পর্যাপ্ত ডিম আসছে না। মুরগির স্বল্পতায় সঙ্কট তৈরি হয়েছে। আবার গরমের মওসুম হওয়ায় দ্রুত নষ্টও হচ্ছে। মিজানুর রহমান বলেন, প্রতিদিন তার প্রায় ৪০০ ডিম নষ্ট হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বেশি নষ্ট হয় হাঁসের ডিম। কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইলসহ হাওর অঞ্চল থেকে হাঁসের ডিম সংগ্রহ করা হয় বলে সময় বেশি যায়। আর তা ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে লেগে যায় ১ সপ্তাহেরও বেশি। সাধারণত ৬ থেকে ৮ দিনের বেশি ভাল থাকে না। ফলে অনেক সময় আড়তেই নষ্ট হয়ে যায়। একারণে ডিমের সঙ্কট আরও বড় হচ্ছে। ভূমিকা রাখছে দাম বাড়তে। পাইকারি বাজারে প্রতি এক শ’ বিক্রি হচ্ছে ৮৯০ থেকে ৯০০ টাকা। গত দুদিন আগে ৯২০ থেকে ৯৪০ টাকাও বিক্রি হয়েছিল। ব্যবসায়ীদের মতে, আড়তে নয়, খামারেই দাম বাড়িয়ে ডিম বাজারে ছাড়া হয়। তাই দাম বাড়লে পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীদের কিছু করার থাকে না। অপরদিকে খামার মালিকরা বলছেন, বাচ্চার অস্বাভাবিক দাম, চিকিৎসা, রক্ষণাবেক্ষণ- সব মিলিয়ে ব্যয় আগের চেয়ে বেশি। তাছাড়া বার্ড ফ্লুর কারণে বিভিন্ন সময় ধ্বংস করা হচ্ছে অসংখ্য মুরগি। খামারিরা লোকসান ঠেকাতে বাধ্য হয়ে বাড়াচ্ছেন মুরগি ও ডিমের দাম। গাজীপুরের মির্জাপুরে অবস্থিত সানমুন পোল্ট্রি ফার্মের আবদুল মতিন বলেন, খামারিরা লোকসান গুনছেন। গত ২ মাস আগেও আমার আশপাশে অন্তত ৪০টি ফার্ম ছিল এখন সেখানে আছে ৫টি। আশপাশের মধ্যে কাপাসিয়া, শ্রীপুর, গাজীপুর, মাওনা চৌরাস্তায় থাকা অনেক ফার্ম অব্যাহত লোকসানে বন্ধ হয়ে গেছে। তাই আগের মতো ডিমের উৎপাদন হচ্ছে না। আমার নিজের খামারেও উৎপাদন এখন আগের তুলনায় অনেক কম। ২ মাস আগে প্রতিদিন ৮০,০০০ ডিম সরবরাহ করতে পারতাম। এখন সেটা নেমে দাঁড়িয়েছে অর্ধেকে। ৪০,০০০ এর বেশি ডিম ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দিতে পারছি না। এর কারণ ওই সময় ৭০,০০০ মুরগি ছিল আর এখন আছে ৩৫,০০০ মুরগি। এ অবস্থায় এখন অনেক কম খামার যেমন আছে তেমনি উৎপাদনও হচ্ছে কম। কিন্তু চাহিদা কমেনি। বরং বেড়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই দাম বেড়েছে। তিনি বাজারে ডিমের সঙ্কট ও দাম বাড়ার পেছনে দায়ী করেন বার্ড-ফ্লু আতঙ্ককে। ফ্লু সন্দেহে নির্বিচারে মুরগি নিধনের জন্য অন্যতম দায়ী বলে তার অভিমত। আমার খামারেই ৬ মাস আগে ৩০,০০০ মুরগি মেরে পুঁতে ফেলতে হয়েছে। এতে অন্তত দেড় কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছি। ব্যবসায়ীরা নিশ্চয় এই ক্ষতি পোষাণোর চেষ্টা করবেন। তা না করলে এই খাতে টিকে থাকা সম্ভব হবে না। তিনি  বলেন, ফ্লু’র ভয়ে অনেক খামারি ইতিমধ্যে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। ফলে নিশ্চিত হুমকির মুখে আছে এই খাত। এভাবে খামার বন্ধ থাকা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে ডিমের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে তা এখন কল্পনাতীত। তেজগাঁওয়ের আড়ৎ ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর এখানে প্রতিদিন গড়ে ৫০ লাখ ডিম আসতো। এখন আসছে ১০,০০০। এখানে প্রতি সন্ধ্যায় ৭০ থেকে ৮০টি ট্রাক বোঝাই করে ডিম আনা হতো। আর সেই পাইকারি বাজারে ট্রাক আসছে ৪০টির মতো। এভাবে হ্রাম পাচ্ছে সব কিছুই। ফলে দাম বাড়ছে

বুধবার, ৬ জুন, ২০১২

সিড়িঁ, বাঘা মসজিদ

undefinedরাজশাহী শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে পদ্মা নদীর তীরে প্রায় ২৫৬ বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত দর্শনীয় শাহী মসজিদ, সুবিশাল দীঘি ও অন্য আউলিয়াদের সমাধি স্থান, মূল দরগাহ্ সবকিছু। সমতল ভূমি থেকে প্রায় ৮-১০ ফুট উঁচু একটি বেদির উপরে এ মসজিদটি তৈরী করা হয়েছে।
এর দুপাশ দিয়ে দুটি বিশাল গেট রয়েছে। তৎকালিন বরেন্দ্র অঞ্চলের ঐতিহ্যকে টেরাকোটা তথা পোড়ামাটির কারুকাজের দেশজ নিদর্শন দিয়ে শাপলা ও লতা-পাতাসহ পর্সিয়ান খোদাই শিল্পে ব্যবহৃত হাজার রকম কারুকাজ। মসজিদটিতে রয়েছে ৫টি দরজা ও ১০ টি গম্বুজ, ৪টি ষৌচালা গম্বুজ, ভেতরে ৬টি স্তম্ভ, ৪টি অপূর্ব কারুকাজ খচিত মেহেরাব। দৈর্ঘ্য ৭৫ প্রস্থ ৪২, উচ্চতা ২৪৬, দেয়াল চওড়া ৮ গম্বুজের ব্যাস ২৪, উচ্চতা ১২।

মাজার শরীফ,বাঘা

মসজিদ কম্পাউন্ডেই রয়েছে হযরত শাহ্ মোয়াজ্জেম শাহদৌলা দানেশ মন্দ (র.) সহ তাঁর সঙ্গী সাথিদের মাজার। ছবির মত সাজানো গুছানো যেন সব। গেইটের পাশে সাইনবোর্ড থেকে মসজিদ সম্পর্কে পেলাম নিম্নলিখিত তথ্য-
১৫০৫ খ্রিস্টাব্দে সুদূর বাগদাদ থেকে আগত হযরত শাহ্ মোয়াজ্জেম শাহদৌলা দানেশ মন্দ (র.) এর সম্মানে ২২.৯২ মিটার লম্বা এবং ১২.৭৮ মিটার চওড়া বাঘা মসজিদটি ১৫২৩ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ করেন সুলতান নাসির উদ্দিন নুসরাত শাহ।

বাঘা শাহী মসজিদ

undefinedবাঘায় পর্যটন শিল্পের অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে বাঘা শাহী মসজিদ। বাঘার এই ব্যিখাত ও বহুল প্রচারিত শাহী মসজিদ এককালে এতদঞ্চলে ইসলাম প্রচারে নিবেদিত এক সাধকের প্রতি বাংলার সুলতানি আমলের অন্যতম সুযোগ্য শাসকের স্বীকৃতি ও শ্রদ্ধার নিদর্শন। যা বর্তমানে দেশের ৫০ টাকার নোটে ও ১০ টাকার ডাক টিকিটে শোভা পাচ্ছে। মুসলিম স্থাপত্য শিল্পের এক অপুর্ব নিদর্শন ।
উওর দক্ষিনে লম্বা এ মসজিদের মেঝের বিস্তার ২২.৯২ মিটার * ১২.৭৮ মিটার এবং দেয়াল ২.২২ মিটার চওড়া । পুর্ব দেয়ালে ৫ টি এবং উওর ও দক্ষিন দেয়ালে ২ টি করে খিলান যুক্ত প্রবেশ পথ আছে । মসজিদের অভ্যন্তরীন অংশ উওর ও দক্ষিন এ ২ সারি ও পুর্ব ও পশ্চিমে ৫ বে তে বিভক্ত । মসজিদের উপরে দশটি অর্ধ গোলাকৃতির গম্বুজ আছে । মসজিদের দেয়ালের গায়ে বিভিন্ন্‌ লতা পাতা ফুল ফল টব বৃক্ষের প্রতিকৃতি ইত্যাদী বিধৃত হয়েছে ।
বাঘায় পর্যটন শিল্পের অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে বাঘা শাহী মসজিদ। বাঘার এই ব্যিখাত ও বহুল প্রচারিত শাহী মসজিদ এককালে এতদঞ্চলে ইসলাম প্রচারে নিবেদিত এক সাধকের প্রতি বাংলার সুলতানি আমলের অন্যতম সুযোগ্য শাসকের স্বীকৃতি ও শ্রদ্ধার নিদর্শন। যা বর্তমানে দেশের ৫০ টাকার নোটে ও ১০ টাকার ডাক টিকিটে শোভা পাচ্ছে। মুসলিম স্থাপত্য শিল্পের এক অপুর্ব নিদর্শন ।
উওর দক্ষিনে লম্বা এ মসজিদের মেঝের বিস্তার ২২.৯২ মিটার * ১২.৭৮ মিটার এবং দেয়াল ২.২২ মিটার চওড়া । পুর্ব দেয়ালে ৫ টি এবং উওর ও দক্ষিন দেয়ালে ২ টি করে খিলান যুক্ত প্রবেশ পথ আছে । মসজিদের অভ্যন্তরীন অংশ উওর ও দক্ষিন এ ২ সারি ও পুর্ব ও পশ্চিমে ৫ বে তে বিভক্ত । মসজিদের উপরে দশটি অর্ধ গোলাকৃতির গম্বুজ আছে । মসজিদের দেয়ালের গায়ে বিভিন্ন্‌ লতা পাতা ফুল ফল টব বৃক্ষের প্রতিকৃতি ইত্যাদী বিধৃত হয়েছে ।

খবর সন্ধান করুন